loader image

১১৬ বছর বয়সী মুয়াজ্জিনের গল্প

March 22, 2025

Select Difficulty

Reselect Difficulty Level

Level One Topic

এটি আব্দুর রহমান মোল্লার গল্প। তিনি নাটোরের ১১৬ বছর বয়সী মুয়াজ্জিন। আব্দুর রহমান তার স্থানীয় গ্রামে প্রতিদিন আজান দিচ্ছেন। তিনি একটি ওয়াক্তও মিস করেন না। দুঃখের বিষয় হল, আব্দুর রহমান অন্ধ। কিন্তু তিনি এখনও রমজান মাসে প্রতিদিন রোজা রাখেন। আব্দুর রহমান সকল মুসলমানের জন্য একজন আদর্শ
এটি আব্দুর রহমান মোল্লার গল্প। তিনি নাটোরের ১১৬ বছর বয়সী মুয়াজ্জিন। আব্দুর রহমান তার স্থানীয় গ্রামে প্রতিদিন আজান দিচ্ছেন। তিনি একটি ওয়াক্তও মিস করেন না। দুঃখের বিষয় হল, আব্দুর রহমান অন্ধ। কিন্তু তিনি এখনও রমজান মাসে প্রতিদিন রোজা রাখেন। আব্দুর রহমান সকল মুসলমানের জন্য একজন আদর্শ।

Bangla Translation.

This is the story of Abdur Rahman Mollah. He is a 116-year-old muezzin from Natore. Abdur Rahman has been calling the azan in his local village every single day. He does not miss a single waqt. The tragedy is, Abdur Rahman is blind. But he still fasts every single day during Ramadan. Abdur Rahman is a role model for all Muslims.

Nicely Done! You're getting better everyday. 🎉

Here's an overview of your stats:

Reselect Difficulty Level

Level Two Topic

এটি বিশ্বাসের গল্প। এটি আব্দুর রহমান মোল্লার গল্প। তিনি নাটোরের বারদহ গ্রামের ১১৬ বছর বয়সী একজন ব্যক্তি। আব্দুর রহমান তার স্থানীয় গ্রামে প্রতিদিন আজান দিচ্ছেন। তিনি একটি ওয়াক্তও মিস করেন না। দুঃখের বিষয় হল, আব্দুর রহমান ২১ বছর আগে তার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। তা সত্ত্বেও, তিনি রমজানের পবিত্র মাসে প্রতিদিন রোজা রাখেন। আব্দুর রহমান সকল মুসলমানের জন্য একজন আদর্শ। তিনি ২৫ সন্তানের পিতা। তিনি ২০১১ সালে তার বড় ছেলের সাথে হজ করেছিলেন। তিনি নিজের জমিতে একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। তারপর তিনি এই জমি মসজিদের নামে নিবন্ধিত করেছিলেন। তারপর থেকে, তিনি এই মসজিদের মুয়াজ্জিন
এটি বিশ্বাসের গল্প। এটি আব্দুর রহমান মোল্লার গল্প। তিনি নাটোরের বারদহ গ্রামের ১১৬ বছর বয়সী একজন ব্যক্তি। আব্দুর রহমান তার স্থানীয় গ্রামে প্রতিদিন আজান দিচ্ছেন। তিনি একটি ওয়াক্তও মিস করেন না। দুঃখের বিষয় হল, আব্দুর রহমান ২১ বছর আগে তার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। তা সত্ত্বেও, তিনি পবিত্র রমজান মাসে প্রতিদিন রোজা রাখেন। আব্দুর রহমান সকল মুসলমানের জন্য একজন আদর্শ। তিনি ২৫ সন্তানের পিতা। তিনি ২০১১ সালে তার বড় ছেলের সাথে হজ করেছিলেন। তিনি নিজের জমিতে একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। তারপর তিনি এই জমি মসজিদের নামে নিবন্ধিত করেছিলেন। তারপর থেকে, তিনি এই মসজিদের মুয়াজ্জিন।

Bangla Translation.

This is a story about faith. This is the story of Abdur Rahman Mollah. He is a 116-year-old man from Bardaha village in Natore. Abdur Rahman has been calling the azan in his local village every single day. He does not miss a single waqt. The tragedy is, Abdur Rahman lost his eyesight 21 years ago. Despite this, he fasts every single day during the holy month of Ramadan.
Abdur Rahman is a role model for all Muslims. He is the father of 25 children. He performed Hajj in 2011 with his eldest son. He built a mosque on his own plot of land. Then he registered this land under the mosque’s name. Since then, he has been the muezzin at this mosque.

Nicely Done! You're getting better everyday. 🎉

Here's an overview of your stats:

Reselect Difficulty Level

Level Three Topic

এটি বিশ্বাসভক্তির গল্প, কঠিন পরিশ্রমধৈর্যের গল্প। এটি আব্দুর রহমান মোল্লার গল্প। তিনি নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বরদহা গ্রামের ১১৬ বছর বয়সী এক দৃষ্টিহীন মুয়াজ্জিন। আব্দুর রহমান প্রতিদিন নিষ্ঠার সঙ্গে তার গ্রামের মসজিদে আজান দিয়ে আসছেন। ২১ বছর আগে দৃষ্টিশক্তি হারানোর পরও তিনি এক ওয়াক্ত নামাযও বাদ দেন না। তার অটুট বিশ্বাস ও ধর্মের প্রতি নিষ্ঠা তার পরিবার ও সম্প্রদায়ের জন্য এক অপার শান্তির উৎস। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও, তিনি রমজানের পবিত্র মাসে নিষ্ঠার সঙ্গে রোজা পালন করেন। আব্দুর রহমান সকল মুসলমানদের জন্য এক আদর্শ। মোল্লা ২৫ সন্তানের জনক, যাদের মধ্যে ১৯ জন এখনো জীবিত। ২০১১ সালে তিনি তার বড় ছেলের সঙ্গে হজ পালন করেন। দেশে ফিরে তিনি নিজের পাঁচ শতাংশ জমিতে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন এবং পরবর্তীতে সেই সম্পত্তি মসজিদের নামে নিবন্ধন করেন। সেই থেকে তিনি তার পরিবার ও গ্রামের মানুষের জন্য সেখানে নামাজ পরিচালনা করছেন। তিনি কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই এই মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এভাবেই তিনি তার ধর্মের প্রতি গভীর নিষ্ঠা ও সমাজসেবার অঙ্গীকারের মাধ্যমে সবার জন্য এক অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন। রমজান পালনকারী সকল মুসলমানদের জন্য তিনি এক আলোকবর্তিকা!
এটি বিশ্বাস ও ভক্তির গল্প, কঠিন পরিশ্রম ও ধৈর্যের গল্প। এটি আব্দুর রহমান মোল্লার গল্প। তিনি নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বরদহা গ্রামের ১১৬ বছর বয়সী এক দৃষ্টিহীন মুয়াজ্জিন। আব্দুর রহমান প্রতিদিন নিষ্ঠার সঙ্গে তার গ্রামের মসজিদে আজান দিয়ে আসছেন। ২১ বছর আগে দৃষ্টিশক্তি হারানোর পরও তিনি এক ওয়াক্ত নামাযও বাদ দেন না। তার অটুট বিশ্বাস ও ধর্মের প্রতি নিষ্ঠা তার পরিবার ও সম্প্রদায়ের জন্য এক অপার শান্তির উৎস। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও, তিনি পবিত্র রমজান মাসে নিষ্ঠার সঙ্গে রোজা পালন করেন। আব্দুর রহমান সকল মুসলমানদের জন্য এক আদর্শ। মোল্লা ২৫ সন্তানের জনক, যাদের মধ্যে ১৯ জন এখনো জীবিত। ২০১১ সালে তিনি তার বড় ছেলের সঙ্গে হজ পালন করেন। দেশে ফিরে তিনি নিজের পাঁচ শতাংশ জমিতে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন এবং পরবর্তীতে সেই সম্পত্তি মসজিদের নামে নিবন্ধন করেন। সেই থেকে তিনি তার পরিবার ও গ্রামের মানুষের জন্য সেখানে নামাজ পরিচালনা করছেন। তিনি কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই এই মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এভাবেই তিনি তার ধর্মের প্রতি গভীর নিষ্ঠা ও সমাজসেবার অঙ্গীকারের মাধ্যমে সবার জন্য এক অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন। রমজান পালনকারী সকল মুসলমানদের জন্য তিনি এক আলোকবর্তিকা!

Bangla Translation.

This is a story about faith and devotion, about hardships and perseverance. This is the story of Abdur Rahman Mollah. He is a 116-year-old blind muezzin from Bardaha village in Natore’s Baraigram upazila. Abdur Rahman has been faithfully calling the azan every single day in his local village. He does not miss a single waqt, despite losing his eyesight 21 years ago. His unwavering devotion to his faith brings comfort to his family and community. Even though he is visually impaired, Abdur Rahman continues to observe fasting during the holy month of Ramadan with dedication. Abdur Rahman is a role model for all Muslims.
Mollah is the father to 25 children. 19 of them are still alive. Abdur Rahman performed Hajj in 2011 with his eldest son. After returning, he built a mosque on his five-decimal plot of land. Later, he registered this property under the mosque’s name. Since then, he has led prayers there for his family and fellow villagers. He serves as a muezzin at this mosque without any compensation. Thus he remains a source of inspiration through his deep commitment to faith and community service. He is a beacon of light for all Muslims that are observing Ramadan this year!

Nicely Done! You're getting better everyday. 🎉

Here's an overview of your stats:

Please Log In to see Quiz.

Only your first attempt on the quiz for this exercise will be recorded, but you're welcome to try the rest ☺️